মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

গুংগুর নদী

 সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

গুংগুর, কোন শিশুর উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য কোমরে বাঁধা গুংগুর নয় কিংবা কোন নৃত্য শিল্পির পায়ে বাঁধা গুংগুরও নয়। এটা নাইঘর-তেতাভূমির সীমান্ত রেখাচিহ্ন হিসেবে বয়ে যাওয়া একটি নদী। এর প্রকৃত ইতিহাস নিশ্চিত নয়। তবে অনেকের মতে এ স্থানে দরিয়া ছিলো। যার বিস্তৃতি ছিলো তৎকালীন ত্রিপুরা ডিস্ট্রিক্ট এর পূর্বাঞ্চল জুড়ে ময়নামতি পর্যন্ত। এই দরিয়ায় চলতো লঞ্চ, স্টীমার, জাহাজসহ বিভিন্ন জলযান। কালের পরিক্রমায় বিবর্তন ঘটে উক্ত দরিয়ার। রূপান্তর হয় নালা বা মরা নদীর মতো। তখন আইয়ুব শাসনামল। ব্রাহ্মণপাড়ারই কৃতী সন্তান বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপটেন আঃ গনির ব্যক্তিগত উদ্যোগে উক্ত নদীর পুন:খনন কাজ সম্পন্ন হয়। তখন থেকে ফিরে পায় তার হারানো যৌবন আর নুতন নাম ধারন করে হয় ‘গুংগুর নদী’ । বর্ষায় সে পূর্ণ যৌবনা, শরতে মধ্য বয়স আর শীত আর বসন্তে বার্ধক্য। এই তার চিরন্তন রূপ।  বিভিন্ন স্থান থেকে শাখা প্রশাখা এসে মিলিত হয়েছে এর সাথে। এর উৎপত্তিস্থল নিয়ে নানা জনের নানা মত। তবে দক্ষিণে মাঝিগাছা বা তার আশেপাশে  গোমতীর কাছাকাছি কোন এক জায়গায় গিয়ে থেমে গেছে। আর উত্তরে বহু মাঠ প্রান্তর পেরিয়ে তিতাসে গিয়ে মিলন হয়েছে। গুংগুরের দুই তীরেই চাষাবাদ, বসতি প্রভৃতি চলে আসছে বহুদিন ধরে।

কিভাবে যাওয়া যায়:

চাঁদপুর বাস স্ট্যান্ড, কুমিল্লা হতে বাস/সিএনিজি যোগে হরিমঙ্গল। তথা হতে রিক্সা যোগে তেতাভূমি/নাইঘর। ব্রাহ্মণপাড়া হতে সিএনজি/রিক্সা যোগে নাইঘর/তেতাভূমি।